• আপডেট টাইম : 24/09/2026 12:11 AM
  • 43 বার পঠিত
  • আওয়াজ প্রতিবেদক
  • sramikawaz.com
 
বারিধারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে নির্মাণ শ্রমিককে চাপা দেওয়া সেই প্রাইভেট কারের কিশোর চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর গাড়ি থেকে বের হয়ে আসা ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরকে প্রথমে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠলেও পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
 
২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার  বিকেলে গুলশান ১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদ নূর।
 
তিনি বলেন, ওই কিশোর বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
 
মামলার সঠিক তদন্ত করা হচ্ছে। প্রকৃত দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বারিধারা ১ নম্বর সড়কে জার্মান দূতাবাসের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি কালো রঙের এসইউভি ফুটপাতে উঠে মেহেদী নামে ২৪ বছর বয়সী এক নির্মাণ শ্রমিককে চাপা দেয়।
 
ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দ্রুতগতির গাড়িটি ফুটপাতে উঠে সেখানে বসে থাকা মেহেদীকে চাপা দেয়। পরে গাড়িটি সড়কবাতির একটি খুঁটিতে ধাক্কা দিলে সেটিও ভেঙে পড়ে।
 
স্থানীয়রা মেহেদীকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
 
দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসন থেকে বেরিয়ে আসা এক কিশোরকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। অভিযোগ ওঠে, পরে থানায় নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পুলিশের দাবি, মবের হাত থেকে রক্ষা করতে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
 
এ ঘটনায় নিহত মেহেদীর ভাই গুলশান থানায় একটি মামলা করেন। তবে মামলায় ওই কিশোরের নাম দেওয়া হয়নি বলে জানান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন।
 
মামলায় আকাশ মারক (৪৪) নামে একজনকে আসামি করা হয়। তাকে দুর্ঘটনায় পড়া গাড়িটির চালক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।
 
পুলিশ কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, মামলায় গাড়ির চালক হিসেবে একজনের নাম থাকলেও প্রাথমিক তদন্ত ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পর চালকের আসন থেকে ওই কিশোর বেরিয়ে আসছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই কিশোরই গাড়িটি চালাচ্ছিল। পরে গুলশান ১২ নম্বর সড়কের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
 
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার কিশোরের বাবা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একজন ক্যাপ্টেন। একইসঙ্গে দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে থাকা বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের বিষয়েও তদন্ত চলছে।
 
ওসি জাহেদ নূর বলেন, আমরা চালককেও খুঁজছি। তাকে গ্রেপ্তার করা গেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে| 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...