• আপডেট টাইম : 19/09/2026 01:55 PM
  • 39 বার পঠিত
  • আওয়াজ প্রতিবেদক
  • sramikawaz.com

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, সরকার জাহাজভাঙা শিল্পের উন্নয়ন চায়, একই সঙ্গে চায় মৃত্যুহার জিরো হোক। শিল্পায়নের সঙ্গে রিস্ক ফ্যাক্টর আছে, সে ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে নগরের হোটেল আগ্রাবাদে ‘বাংলাদেশে টেকসই জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক নিরাপত্তা সচেতনতা কর্মসূচি মারাত্মক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সেইফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অন সাসটেইনেবল শিপরিসাইক্লিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখন আধুনিক যুগ।

ঘরে বসেই শিল্প কারখানা ইয়ার্ড ক্যামেরায় দেখা যায়। প্রযুক্তি সুযোগ দিয়েছে, ব্যবহার করুন।
পানির দামে ক্যামেরা পাওয়া যায়। এক প্যাকেট সিগারেটের দামে ক্যামেরা পাওয়া যায়।
ইন্টারনেট কানেকশন দেন, মোবাইলে দেখবেন। তাহলে নিজে দায়মুক্ত থাকবেন। অভিজ্ঞতাকে বেশি বিশ্বাস করবেন না। যিনি কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন তিনি সজাগ হোন।

তিনি বলেন, আগামীতে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হবে জাহাজভাঙা শিল্পে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, আমাদের জাহাজভাঙা শিল্প পুরোনো। গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ড হচ্ছে। শিল্প যান্ত্রিক দানবের মতো। একটু অসতর্ক হলে বিপদ। আমি আনন্দিত হই, আশাবাদী হই সরকার কাজ করছে। একটা সময় জিরো ক্যাজুয়ালিটি হবে এ শিল্পে। সরকারের রেগুলেটরি দপ্তরগুলো আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিচ্ছে।

বিএসবিআরএ সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিন শিপ ইয়ার্ডে বিপদের পরিমাণ আগের তুলনায় কমে গেছে। আগের তুলনা করলে দায়ভার আমাদের ঘাড়ে বেশি পড়ে যাচ্ছে। সহসা যে ঘটনাটি ঘটল তার জন্য আমাদের কোনো ধরনের মানসিক প্রস্তুতি ছিল না। নতুন একটি অভিজ্ঞতা। এর আগেও দুইটি ব্যালাস্ট ট্যাংক কাটা হয়েছিল কোনো বিপদ হয়নি। দুর্ঘটনার জন্য আমরা দুঃখিত। আমরা একটি নতুন শিক্ষা পেলাম, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না হয় সেই কাজটি কীভাবে করা যায়। শিল্প মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য গভর্নিং বডি আমাদের অনেক সহযোগিতা দিয়েছে। বর্তমান সরকারের যে সহযোগিতা আমরা পাচ্ছি সেটি আমাদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে ভবিষ্যতে যাতে আরও নিরাপদে শিপ রিসাইকেল করার যায় তার পথ তৈরি করা সহজ করছে।

জাহাজ তৈরিতে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের কিছু নীতিমালা থাকে। আপনাকে ঠিক করতে হবে ২০-২৫ বছর পর জাহাজটি কোথায় রিসাইকেল করা হবে। রিসাইকেল ফ্যাসিলিটি পরিবেশবান্ধব কিনা। সে ক্ষেত্রে কিছু দায়ভার ম্যানুফেকচারারের ওপরও পড়ে। আমরা আশা করি সরকারের উদ্যোগগুলো আমাদের একটা নিরাপদ পর্যায়ে নিয়ে আসবে যাতে আমরা নিরাপদে পরিবেশবান্ধব ইয়ার্ডে শিপ রিসাইকেল করতে পারব।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...