• আপডেট টাইম : 16/08/2026 07:52 AM
  • 52 বার পঠিত
  • বিশেষ প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া
  • sramikawaz.com
কুষ্টিয়ায় গণ অধিকার পরিষদ ও এমপি আমির হামজার সমর্থক জামায়াত শবিরিরে মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ভাঙচুর করা হয় আমির হামজার গাড়ি। পাশাপাশি হামলা চালানো হয় গণ অধিকার পরিষদের অফিস এবং ওই সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতির নিজস্ব কার্যালয়। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 
 
১৫ আগস্ট শনিবার সাড়ে ৬টার দিকে শহরের ছয় রাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশকে নির্বিকার বসে থাকতে দেখা যায়। এ ছবি তুলতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হোন হামজা সমর্থকরা। তারা সাংবাদিকদের হুমকি ধামকিও দেন।
 
জানা গেছে, আমির হামজা সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে নিয়ে কটুক্তি মূলক বক্তব্য রাখেন। এর প্রেক্ষিতে সংগঠনের কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতাকর্মীরা শনিবার বিকেলে শহরের ছয়রাস্তা মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। এই সমাবেশ স্থলের অদূরে আমির হামজার বাসভবন। 
 
সমাবেশের শেষের দিকে আমির হামজা পুলিশ প্রটোকল নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সমাবেশ স্থলে আসলে গাড়ির ভেতর থেকে তার সমর্থকরা বিভিন্ন ¯েøাগান দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর প্রথমে তাদের মধ্যে হাতাহাতি পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেই। 
 
এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। 
এ ঘটনার পর গণধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। পরে মাগরিবের নামাজ চলাকালে আমির হামজার বাড়ি থেকে তার সমর্থকরা বেসবল ব্যাটসহ লাঠি সোটা নিয়ে শহরের হাইস্কুল মার্কেটে গণঅধিকার পরিষদের জেলা কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় সংবাদ কর্মীরা এই ছবি সংগ্রহ করতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হন হামজা সমর্থকরা। তারা সাংবাদিকদের ছবি তুললে দেখে নেয়ার হুমকিও দেন। 
 
পরে সংবদ্ধ হামজা সমর্থকরা সেখান থেকে মিছিল করে ছয় রাস্তার মোড়ে হরিপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে গণ অধিকার পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল খালেকের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এই সংঘর্ষ ঘিরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। 
 
গণ অধিকার পরিষদ নেতা তৌকির আহমেদ জানান, তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে চলে যাচ্ছিলেন। এ সময় হামজার সমর্থকরা তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তবে এ ব্যাপারে আমির হামজার দুই কর্মী তাৎক্ষণিক জানান, গণধিকার পরিষদের লোকজন প্রথমে তাদের উপর হামলা চালায়। তারা কেবল প্রতিরোধের চেষ্টা করেছেন। তাদের দাবি প্রতিপক্ষের হামলায় তাদের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
 
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, তারা উত্তেজনা প্রমোশন করার জন্য দুই পক্ষকে থামানোর চেষ্টা কররছেন পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...